মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানকে দৌড়ে এসে কূটনৈতিক টেবিলে বসতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ফাঁকে আরব নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই কথা বলেন।
তিনি বলেন, উত্তেজনার মধ্যেই আলোচনার টেবিলে বসতে হবে। এটা গুরুত্বপূর্ণ। যদি ইরান চলে যায়, তাহলে এই অঞ্চলও যাবে, তাই আমাদেরও বিষয়টি ঠিক করতে হবে।
সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার ইরানের নেতাদের বিক্ষোভকারীদের উপর সহিংস দমন-পীড়ন বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। সেখানে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
তিনি ইরানিদের বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার এবং ‘প্রতিষ্ঠান দখল করার’ আহ্বান জানিয়েছেন। ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, ‘সাহায্য আসছে’। যদিও ট্রাম্প এখন পর্যন্ত সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ থেকে সরে এসেছেন। এর আগে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দাভোসের আয়োজকরা ঘোষণা করেছেন, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির আমন্ত্রণ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
আরাঘচি এই পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে ফোরামকে ‘স্পষ্ট দ্বিমুখী নীতি’ এবং পশ্চিমা চাপের কাছে নতি স্বীকার করার অভিযোগ এনেছেন। এমন পরিস্থিতিতেও স্টিভ উইটকফ জোর দিয়ে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্য সঠিক পথে এগিয়ে চলেছে। আমি মনে করি যা ঘটছে তা আশ্চর্যজনক। আমার মনে হয়, সবাই শান্তির জন্য একসাথে কাজ করছে। সীমান্ত শান্তি প্রতিষ্ঠায় ট্রাম্পের অবস্থান সবাই গ্রহণ করেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে গাজা পুনর্গঠনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ‘বোর্ড অব পিস’ অংশ নিয়ে দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক সম্মেলন থেকে নতুন ঘোষণা আসতে পারে বলেও মনে করেন স্টিভ উইটকফ।

