কুষ্টিয়ার কুমারখালীর কয়া ইউনিয়নের স্থায়ী ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণের জন্য প্রশাসন তদন্তে নেমেছে।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে চার সদস্য বিশিষ্ট কমিটি সরেজমিনে তিনটি প্রস্তাবিত স্থানে জরিপ, কাগজপত্র যাচাই ও স্থানীয়দের মতামত সংগ্রহ করে।
স্থানীয়রা জানান, ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডে পরিষদের নামে জমি থাকলেও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধের কারণে স্থায়ী ভবন নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। রায়ডাঙা মৌজায় ২৫ শতাংশ, সুলতানপুর মৌজায় ৩০ শতাংশ এবং বাড়াদী মৌজায় ৫০ শতাংশ জমি রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে ইউএনও ও স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে স্থান নির্ধারণের চেষ্টা চলছে।
কমিটির আহ্বায়ক ও কুমারখালী সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার জানান, প্রস্তাবিত তিনটি স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে। স্থানীয়দের মতামত গ্রহণ করা হয়েছে। দ্রুত জনকল্যাণকামী স্থানে ভবন নির্মাণের জন্য প্রতিবেদনের কাজ চলছে।
বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন বলেন, তিনটি গ্রামে ইউনিয়ন পরিষদের নামে জমি থাকলেও মানুষের সংঘর্ষ ও বিরোধের কারণে স্থায়ী ভবন নির্মাণ হয়নি। এতে জনসাধারণ পরিষদের স্বাভাবিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। জনস্বার্থে উপযুক্ত স্থানে ভবন নির্মাণের জন্য আমরা ইউএনওকে চিঠি দিয়েছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আখতার বলেন, একাধিক স্থানে জায়গা থাকায় বাসিন্দাদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। তবে তদন্ত শেষে সবচেয়ে অধিক জনকল্যাণকর স্থানে ভবন নির্মাণ করা হবে।
কয়া ইউনিয়ন পদ্মা ও গড়াই নদীর কূলঘেঁষে অবস্থিত। এটি বিপ্লবী বাঘা যতীন, শহীদ আবরার ফাহাদসহ অনেক ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের জন্মস্থান। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, স্থায়ী ভবন নির্মাণ হলে পরিষদের সেবা সহজে ও দক্ষভাবে নাগরিকদের কাছে পৌঁছাবে।

