সেমিফাইনালের লড়াই এখনও বাকি। সামনে শক্ত প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। তবে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর দক্ষিণ আফ্রিকা ইতোমধ্যেই ফাইনালের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে। আর সেই ফাইনাল যদি হয় আহমেদাবাদে, তবে সেটিকে ‘ঘরের মাঠ’ ভাবতেই পারে প্রোটিয়ারা।
এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের সাত ম্যাচের পাঁচটিই খেলেছে আহমেদাবাদে। বাকি দুটি ম্যাচ ছিল দিল্লিতে। সেমিফাইনালে তারা মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ডের, ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে কলকাতায়। সেই বাধা পেরোতে পারলেই ফাইনালের জন্য আবারও ফিরতে হবে পরিচিত আহমেদাবাদে।
টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত একমাত্র অপরাজিত দল দক্ষিণ আফ্রিকা। আহমেদাবাদেই তারা স্বাগতিক ও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারতকে হারিয়ে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিয়েছে। দারুণ ছন্দে থাকা দলটিকে তাই এবারের আসরের অন্যতম ফেভারিট হিসেবে ধরা হচ্ছে।
গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও অপরাজিত থেকে ফাইনালে উঠেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে শিরোপার একেবারে কাছে গিয়েও শেষ পর্যন্ত হতাশ হতে হয়েছিল তাদের। সেই স্মৃতি এখনও তাজা। তাই এবার প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের লক্ষ্যেই এগোচ্ছে দলটি।
দলের কোচ শুক্রি কনরাড জানিয়েছেন, ফেভারিট তকমা তারা এড়িয়ে যাচ্ছেন না। বরং এই প্রত্যাশাকেই ইতিবাচকভাবে নিচ্ছেন। তার মতে, বড় দল হিসেবে ফেভারিট হয়েই খেলতে নামা উচিত। আন্ডারডগ হওয়ার চেয়ে প্রত্যাশা নিয়ে খেলাই বেশি চ্যালেঞ্জিং এবং সম্মানের।
চিরচেনা ‘চোকিং’ ইস্যুও বড় ম্যাচের আগে আবার আলোচনায় এসেছে। তবে কোচের ভাষায়, চাপ সবসময়ই থাকবে, বিশেষ করে সেমিফাইনালের মতো ম্যাচে। গুরুত্বপূর্ণ হলো সেই চাপকে কীভাবে সামলানো যায়। একই প্রস্তুতি, একই মনোভাব নিয়েই তারা নামবেন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে।

