আব্রামোভিচ আমলের অনিয়মে ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞার শাস্তি পেল চেলসি

0
আব্রামোভিচ আমলের অনিয়মে ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞার শাস্তি পেল চেলসি

রুশ ধনকুবের রোমান আব্রামোভিচের আমলে করা আর্থিক অনিয়মের দায়ে বড় ধরণের শাস্তির মুখে পড়েছে ইংলিশ জায়ান্ট চেলসি। ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ) এবং প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষের তদন্তে ৭৪টি নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ক্লাবটিকে ১ কোটি ৭৫ লাখ পাউন্ড জরিমানা করা হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ২৮৪ কোটি টাকা। একই সঙ্গে ক্লাবটির ওপর খেলোয়াড় নিবন্ধনে এক ট্রান্সফার উইন্ডোর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যা বর্তমানে দুই বছরের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে।

এক বিবৃতিতে প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চেলসি কর্তৃপক্ষ নিজেরাই অতীতে করা তাদের আর্থিক অসঙ্গতিগুলো স্বেচ্ছায় প্রকাশ করায় এই তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। ২০১১ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে আব্রামোভিচের মালিকানাধীন চেলসি নিয়ম বহির্ভূতভাবে তৃতীয় পক্ষকে ব্যবহার করে খেলোয়াড়, নিবন্ধনহীন এজেন্ট এবং বিভিন্ন পক্ষকে গোপনে অর্থ প্রদান করেছিল। এই বিশাল অঙ্কের অর্থ লেনদেনের বিষয়টি ক্লাবটি তখন ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কাছে গোপন রেখেছিল। যা প্রিমিয়ার লিগের স্বচ্ছতা ও সততার নীতিমালার চরম লঙ্ঘন।

চেলসির আর্থিক প্রতিবেদন ও যুব উন্নয়ন সংক্রান্ত নিয়ম ভঙ্গের জন্য মোট ১০.৭৫ মিলিয়ন পাউন্ড এবং সার্বিক অনিয়মের জন্য মোট জরিমানার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭৫ লাখ পাউন্ড। একাডেমি পর্যায়ে খেলোয়াড় কেনাবেচায় ৯ মাসের তাৎক্ষণিক নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। প্রথম দলের জন্য এক বছরের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সেটি আগামী দুই বছরের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ, নতুন করে কোনো নিয়ম ভঙ্গ না করলে এখনই প্রথম দলের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে না।

এক বিবৃতিতে চেলসি জানিয়েছে, তারা শুরু থেকেই তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করেছে। তাদের এই স্বচ্ছতার বিষয়টি প্রিমিয়ার লিগও স্বীকার করে নিয়েছে। 

২০০৩ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত আব্রামোভিচ যুগে ৫টি প্রিমিয়ার লিগ এবং ২টি চ্যাম্পিয়নস লিগসহ ২১টি শিরোপা জেতে চেলসি। তবে বর্তমান মালিকানাধীন ক্লাবটিকে এখন সেই সময়কার অস্বচ্ছ আর্থিক কর্মকাণ্ডের দায়ভার ও জরিমানা বহন করতে হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here