আইপিএলে অনিশ্চিত হাসারাঙ্গা

0
আইপিএলে অনিশ্চিত হাসারাঙ্গা

মাথিশা পাথিরানা এবং ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাসহ কেন্দ্রীয় চুক্তির অন্তর্ভুক্ত ১৫ জন খেলোয়াড় এখনও বাধ্যতামূলক ফিটনেস পরীক্ষায় অংশ নেয়নি বলে জানিয়েছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি)।

ফলে তাদের আইপিএলে অংশ নেওয়া এখনও অনিশ্চিত রয়ে গেছে। এবার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে ২ কোটি রুপিতে কিনেছিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। যদিও গত সপ্তাহে কলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে অনুশীলন করতে দেখা গিয়েছে এই ক্রিকেটারকে। ওই ম্যাচে তিনি ব্যাটিং করলেও, বোলিং করেননি।

বোর্ড জানিয়েছে, ছয় জন ক্রিকেটার অন্তত একবার চেষ্টা করে ফিটনেস পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছেন। এতে কেন্দ্রীয় চুক্তি আওতাভুক্ত ৪৫ জনের মধ্যে বর্তমানে মাত্র ২৪ জন এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।

যাদের এখনও পরীক্ষা করা হয়নি, তারা চোট থেকে শুরু করে লজিস্টিক সমস্যা পর্যন্ত সমস্যায় ভুগছেন। তবে এদের মধ্যে হাসারাঙ্গা এবং পাথিরানার সময়সীমা সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক। ফিটনেস পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়া হাসারাঙ্গা এবং পাথিরানা আইপিএলে লখনউ সুপার জায়ান্টস এবং কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রতিনিধিত্ব করবেন।

দেশটির ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, হাসারাঙ্গার পরিস্থিতি সবচেয়ে হতাশাজনক। এসএলসি-র একটি সূত্র জানিয়েছে,  হাসারাঙ্গা এখনও পর্যন্ত অনাপত্তি পত্রের (এনওসি) জন্য অনুরোধ করেননি। ২৮ বছর বয়সী এই লেগ স্পিনার ফেব্রুয়ারিতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বাম হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান। এরপর থেকে তার ফিটনেস মূল্যায়ন করাবেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট নেই।

অন্যদিকে পাথিরানা যিনি টুর্নামেন্ট চলাকালীন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে কাফ মাসলে টান লাগার কারণে ইনজুরিতে পড়েন। তিনি সেরে ওঠার প্রক্রিয়া দ্রুত করার জন্য নেটে বোলিং শুরু করেছেন বলে জানা গেছে। খেলোয়াড়ের ঘনিষ্ঠ সূত্র আশা করছে, তিনি এপ্রিলের মাঝামাঝি নাগাদ আইপিএলের জন্য ভারতে ফিরতে পারবেন। যদিও তার এসএলসি-নির্ধারিত ফিটনেস পরীক্ষার জন্য এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। তবে আগামী সপ্তাহে ফিটনেস পরীক্ষা করাবেন বলে ধারণা করা যাচ্ছে।

এসএলসি-র ফিটনেস সংস্কৃতিতে এই আমূল পরিবর্তন ঘরোয়া ন্যাশনাল সুপার লিগ টুর্নামেন্টেও প্রসারিত হয়েছে। যা তুলনামূলক সহজ। ফিটনের পাওয়ার জন্য খেলোয়াড়দের ২ কিলোমিটার দৌড় এবং একটি স্কিনফোল্ড টেস্ট সম্পন্ন করতে হয়। এর জন্য কোনো পয়েন্ট বরাদ্দ করা হয় না, তাদের কেবল ন্যূনতম সীমা অতিক্রম করতে হয়।

অন্যদিকে কেন্দ্রীয় চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়দের জন্য রয়েছে ২০ মিটার স্প্রিন্ট, একটি ৫-০-৫ অ্যাজিলিটি টেস্ট এবং একটি কাউন্টার মুভমেন্ট জাম্প (সিএমজে)। যার প্রতিটিতে এক থেকে পাঁচ পর্যন্ত পয়েন্ট পাওয়া যায়। এর সঙ্গে ২ কিলোমিটার দৌড় ও স্কিনফোল্ড টেস্টে সম্ভাব্য সাত পয়েন্ট করে জেতার সুযোগ রয়েছে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে ২৯ পয়েন্টের মধ্যে সতেরো পয়েন্ট প্রয়োজন।

টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী ৮৭ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে ২৩ জন ন্যূনতম ফিটনেসের শর্ত পূরণ করতে পারেননি। তবে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য তাদের ১৯শে এপ্রিল পর্যন্ত সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। যদি তারা তা করতে ব্যর্থ হন, তবে তাদের খেলা চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হলেও ম্যাচ ফি দেওয়া হবে না এবং টুর্নামেন্টে তাদের ভবিষ্যৎ প্রতিনিধিত্বও পর্যালোচনার আওতায় আসতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here