অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)-এর সভাপতি তাসকীন আহমেদ।
আজ রবিবার সচিবালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি।
সাক্ষাৎকালে তাসকীন আহমেদ ঋণের সুদের হার কমিয়ে আনা এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে নীতি সুদের হার ধীরে ধীরে কমানোর প্রস্তাব দেন। তিনি প্রকৃত (অনিচ্ছাকৃত) ঋণখেলাপিদের জন্য ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান এবং ঋণ শ্রেণিকরণের সময়সীমা বৃদ্ধি করার প্রস্তাব করেন।
তিনি বলেন, মুদ্রানীতি, রাজস্বনীতি এবং কাঠামোগত সংস্কারের সমন্বিত প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে সক্ষম হবে।
তাসকীন আহমেদের বক্তব্যের জবাবে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হলো বেসরকারিখাত। তিনি আশ্বাস প্রদান করেন যে, বর্তমান সরকার বাণিজ্য, ব্যবসা, বিনিয়োগ এবং শিল্পখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে, কারণ দেশের অর্থনীতিতে বেসরকারিখাতের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও জানান, পুঁজিবাজারকে গতিশীল ও কার্যকর করতে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংককে আরও বেশি বেসরকারিখাতমুখী করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। এছাড়াও বেসরকারিখাতে ঋণপ্রবাহ সহজ করা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঋণপ্রবাহ বাড়ানোও সরকারের অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে রয়েছে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
এসময় ডিসিসিআই’র ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি সালিম সোলায়মান উপস্থিত ছিলেন।

