আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অভিষেক ম্যাচেই সেঞ্চুরি করলেন রুয়ান্ডার মাত্র ১৫ বছর বয়সী ফ্যানি উতাগুশিমানিন্দে। অভিষেক ম্যাচেই সেঞ্চুরির কীর্তি এতদিন কোনো নারী ক্রিকেটারের ঝুলিতে ছিল না, সেটিই গড়ে ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।
নাইজেরিয়া ইনভিটেশনাল উইমেনস টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে ঘানার বিপক্ষে এই বিধ্বংসী ইনিংস খেলে ক্রিকেটের ইতিহাসের পাতায় নাম লেখালেন রুয়ান্ডার এই ওপেনার।
শুক্রবার নাইজেরিয়ার লাগোসে ঘানার বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালিয়ে ৬৫ বলে ১১১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন উতাগুশিমানিন্দে। এর মাধ্যমে প্রথম নারী ক্রিকেটার হিসেবে টি-টোয়েন্টি অভিষেকে সেঞ্চুরি করার বিশ্বরেকর্ড গড়লেন তিনি। এর আগে ২০০৫ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচে ৯৬ রান করে এই তালিকার শীর্ষে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি কারেন রোল্টন।
১৫ বছর ২২৩ দিন বয়সে সেঞ্চুরি করে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের (নারী ও পুরুষ মিলিয়ে) কনিষ্ঠতম সেঞ্চুরিয়ানও এখন উতাগুশিমানিন্দে। তিনি ভেঙে দিয়েছেন উগান্ডার প্রসকোভিয়া আলাকোর রেকর্ড। ২০১৯ সালে মালির বিপক্ষে যখন আলাকো সেঞ্চুরি করেছিলেন, তখন তার বয়স ছিল ১৬ বছর ২৩৩ দিন।
পুরুষ ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত চারজন ব্যাটার অভিষেক ম্যাচে সেঞ্চুরি করলেও পূর্ণ সদস্য কোনো দেশের খেলোয়াড় এই তালিকায় নেই। পুরুষ ক্রিকেটে কনিষ্ঠতম সেঞ্চুরিয়ান ফ্রান্সের গুস্তাভ ম্যাককিওন, যিনি ১৮ বছর ২৮০ দিন বয়সে এই কীর্তি গড়েছিলেন। উতাগুশিমানিন্দে সেই হিসেবে পুরুষ ক্রিকেটের রেকর্ডকেও পেছনে ফেলে দিলেন।
উতাগুশিমানিন্দের ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ২১০ রানের পাহাড় গড়ে রুয়ান্ডা। দলের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩২ রান করেন মার্ভেইল ওয়াসে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে মাত্র ৮৮ রান তুলতে সক্ষম হয় ঘানা। ১২২ রানের বিশাল জয়ে মাঠ ছাড়ে রুয়ান্ডা।
সূত্র: আইসিসি

