অবশেষে গোলের দেখা পেলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে দারুণ প্লেসিং বলে ডান পায়ের শট নিয়ে গোল করেন পর্তুগালের অধিনায়ক। ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় যিনি ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টে গোল করেছেন। বিশ্বকাপে তার নবম গোল।
জো কানসেলোর ডানপ্রান্ত থেকে করা করা নিচু ক্রস প্রথম ছোঁয়াতেই জালে জড়িয়ে দেন রোনালদো। তার জোরালে শটে গোলরক্ষকের কিছুই করার ছিল না।
প্রথম ম্যাচের গোল করতে না পারায় সমালোচনা কম শোনেনি রোনালদো। পর্তুগিজ তারকা আজ উজবেকিস্তানের বিপক্ষে গোল পেয়ে গেলেন ষষ্ঠ মিনিটেই। ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ভিন্ন ছয়টি বিশ্বকাপে গোল পেলেন পর্তুগিজ মহাতারকা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫টি বিশ্বকাপে গোল করেছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
ডান পাশ থেকে জোয়াও কানসেলোর বাড়ানো বল ধরে গোলটি পেয়েছেন রোনালদো। পর্তুগালের জার্সিতে এটি তার ১৪৪তম গোল।
বিশ্বকাপের ‘কে’ গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলছে উজবেকিস্তান-পর্তুগাল। হিউস্টন স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় ম্যাচটি শুরু হয়।
প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে পর্তুগাল, অন্যদিকে বিশ্বকাপ অভিষেকে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ৩-১ ব্যবধানে হেরে যায় উজবেকিস্তান।
প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ ড্র করে সমালোচনার মুখে পড়েছিল পর্তুগাল। বিশেষ করে রোনালদোর পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা ছিল তুঙ্গে। তবে কোচ মার্তিনেজ অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডের ওপর আস্থা রেখেছেন এবং তাকে আবারও আক্রমণের মূল ভরসা হিসেবে নামিয়েছেন।
এটি প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ফুটবলে মুখোমুখি হচ্ছে পর্তুগাল ও উজবেকিস্তান।
পরিসংখ্যান বলছে, এশিয়ান দলের বিপক্ষে পর্তুগালের সাম্প্রতিক রেকর্ডও খুব একটা ভালো নয়, ২০১৮ সালে ইরানের সঙ্গে ড্র এবং ২০২২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে হার।
অন্যদিকে উজবেকিস্তানের ইউরোপীয় দলের বিপক্ষে পরিসংখ্যানও অনুকূলে নয়। উয়েফা সদস্য দেশগুলোর বিপক্ষে সবশেষ ২৩ ম্যাচে তারা মাত্র একটি জয় পেয়েছে, বাকিগুলোর মধ্যে ১০টি ড্র ও ১২টি হার। সেই একমাত্র জয়টি এসেছিল ২০২২ সালের নভেম্বরে কাজাখস্তানের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ২-০ ব্যবধানে।

