ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে শুরুটা ছিল পুরোপুরি ব্রাজিলের দখলে। আক্রমণের ঝড় তুলে প্রথম ৪৫ মিনিটেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সেলেসাওরা। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে সেই তীব্রতা আর দেখা যায়নি।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, প্রথমার্ধেই জয় নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় ব্রাজিল ইচ্ছাকৃতভাবেই গতি কমিয়ে দেয়। হাই প্রেসিং থেকে সরে এসে তারা বেশি মনোযোগ দেয় বল দখল ও ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে। আনচেলত্তিও কুনিয়া ও লুকাস পাকেতাকে উঠিয়ে এন্ড্রিক ও মার্টিনেল্লিকে নামিয়ে বেঞ্চ শক্তি যাচাই করেন।
তবে কৌশলের পাশাপাশি ক্লান্তির দিকটাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। দীর্ঘ ক্লাব মৌসুমের ধকল, তার ওপর রাফিনহার ইনজুরি শঙ্কা দলকে আরও সতর্ক করে তোলে। ম্যাচের মাঝপথে তার মাঠ ছাড়ার ঘটনা ব্রাজিলের আক্রমণাত্মক ছন্দে প্রভাব ফেলে।
সব মিলিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিলের এই ধীরগতির ফুটবল নিয়ে মিশ্র ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে। কেউ বলছেন এটি টুর্নামেন্ট ম্যানেজমেন্টের অংশ, আবার কারও মতে বড় ম্যাচে এই গা ছাড়া মনোভাব ভবিষ্যতে সমস্যা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে নকআউট পর্বে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এমন পারফরম্যান্স ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
বর্তমানে গ্রুপ সি তে শীর্ষে থাকলেও, ব্রাজিলের দ্বিতীয়ার্ধের এই চিত্র কোচ আনচেলত্তির জন্য বাড়তি চিন্তার বিষয় হয়ে উঠছে।

