ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে প্রায় ১৬ কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার দিনগত রাত থেকে যমুনা সেতুর টোল প্লাজা থেকে পৌলি পর্যন্ত এ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত যানবাহন, যমুনা সেতুর ওপর ও সেতুর সংযোগ সড়কে রাতে একাধিক গাড়ি বিকল ও দুর্ঘটনার কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
পুলিশ ও যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, গতকাল শুক্রবার বিকাল থেকেই যমুনা সেতুর পশ্চিমপাড় সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে যানবাহনের প্রচুর চাপ রয়েছে। ফলে সেতুর পশ্চিমপাড় থেকে যাওয়াইল ওভারব্রিজ পার হয়ে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে মাঝে মধ্যে ধীরগতিতে চলাচল করছে যানবাহনগুলো।
পরে রাত ৯টার দিকে যমুনা সেতুর উপরে ৭ নম্বর পিলারের কাছে ঢাকামুখী লেনে বাসের পেছনে আরেকটি বাস ধাক্কা দেয়। এতে একজন নিহত হন। এ সময় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে সেতু কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনাকবলিত বাস রেকার দিয়ে সরিয়ে নিলেও যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় আরো যানজট ও ধীরগতির সৃষ্টি হয়েছে। এ যানজট ছড়িয়ে পড়ে যমুনা সেতুর পূর্বপাড় টাঙ্গাইলে। এতে করে যমুনা সেতুর টোল প্লাজা থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইলের পৌলি পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি হয়।
শনিবার সকালে গাজীপুর থেকে আসা নাটোরগামী বাস চালক রুপচান শেখ বলেন, টাঙ্গাইল থেকে যানজট। মহাসড়কের এলেঙ্গাতে এসে আটকে আছি। গরমে চরম ভোগান্তি হচ্ছে।
এ ব্যাপারে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শরিফ বলেন, আজ শনিবার প্রায় সব গার্মেন্টসই খোলা হবে। এর ফলে গতকাল থেকেই মহাসড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ বাড়তে থাকে। তবে যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, যমুনা সেতুর ওপর প্রায় ১৫ থেকে ১৬টি গাড়ি বিকল ও সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া সেতুর ওপরে গাড়ি আটকা থাকায় লোকজন নেমে যাচ্ছেন। যার ফলে সেতুর দুই পাশেই যানজট কিংবা ধীরগতি রয়েছে।

